GooNGooN's Search

Monday, November 18, 2013

Crooked House:: পোল্যান্ডের দুমড়ানো একটি বাড়ি

ছবিটি প্রথমে দেখে মনে হতে পারে খ্যাতিমান শিল্পীর হাতে রঙ করানো কোনও খেলনা বাড়ি। অথবা এটি কোনও কার্টুন বা টর্নেডোতে মুচড়ানো কোন বাড়ির ছবি। না, কোনোটাই নয়। আসলে এটি সত্যিকারের একটি বাড়ি।

Poland story of a house
এটি মানুষের বসবাসযোগ্য একটি দালান। একটি শপিং সেন্টার। পোল্যান্ডের রেজিডেন্ট শপিং সেন্টারের এই ভবন ৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে শোভা পাচ্ছে ‘ক্রুক্‌্‌ড হাউজ’ নামে। এটির নকশা করেছেন পোলিশ প্রকৌশলী জোটিনজি এবং জালেস্কি। এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ২০০৪ সালে।
বাড়িটির প্রধান আকর্ষণ এর প্রবেশপথ স্টেইন্‌্‌ড গ্লাস দিয়ে সাজানো, দেয়ালে পাথরের কারুকাজ আর জানালার ফ্রেম করা হয়েছে বালিপাথরে। রাতে এই ভবনের ওপর আলো ফেললে এর নকশা কারুকাজের চূড়ান্ত সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। সেই আলোতে ছাদ ও দরজা-জানালা থেকে বিচ্ছুরিত হয় নীল সবুজ রশ্মির মাধুর্য। এর ভেতরে আছে রেস্টুরেন্ট ও বার। শহরের লোকজনের জন্য বেড়াতে আসার প্রধান আকর্ষণও এই ভবনটি। তারা রহস্যময় এই ভবনের আরেক নাম দিয়েছে ‘ওয়াল অব ফেইম’।
পোলিশরা এই বাড়িটিকে একুশ শতকের সেরা নির্মাণ বলেও দাবি করে। তারা বলে, এটি হচ্ছে আধুনিক অলৌকিকতা। এমনকি তাদের ধারণা, তারা এবং তাদের আগামী প্রজন্ম অহংকার করবে এই ভবনটি নিয়ে। আর এই আনন্দ তারা ভাগ করে দিতে চায় বিশ্বব্যাপী এবং তারা বেশ গর্ববোধও করে। তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর।

Sunday, November 10, 2013

Guruduara Nanokshahi


নাটুদাহর ঐতিহাসিক হাজার দুয়ারী স্কুল

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আগে নাম ছিল নাটুদাহ রাধা রানী ইনস্টিটিউশন। রাধা রানীর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। সবার কাছে বিদ্যালয়টি হাজার দুয়ারী স্কুল নামেই পরিচিত। এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক বিদ্যালয়। এখান থেকে লেখাপড়া করে অনেকে খ্যাতিমান হয়েছেন। এ বিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে জমিদার নফর পাল চৌধুরীর কথা। এক হাজারটি দরজা না থাকলেও ৩৫০টি দরজার প্রাচীন এ বিদ্যালয়টি একনজর দেখতে অনেকে ছুটে আসেন এখানে।
ঐতিহাসিক এ বিদ্যালয়ে ১৯৬২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন মোহাম্মদ সুরাত আলী। ১৯৭৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা শেষে ২০০৯ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছেন রফিকুল আলম। তাঁরা দুজন জানালেন, ১৯০৬ সালে স্থানীয় জমিদার নফর পাল চৌধুরী তাঁর স্ত্রী রাধা রানীর নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। নাম রাখেন নাটুদাহ রাধা রানী ইনস্টিটিউশন। ১৯১১ সালে হাই স্কুল চালু করা হয়। নফর পাল বিদ্যালয় ভবনকে তিন তলায় রূপান্তর করতে চেয়েছিলেন। তিন তলা ভবন হলে এর দরজা হতো এক হাজারটি। তা আর হয়ে ওঠেনি। তাতে কী! এ কারণেই বিদ্যালয়টি পরিচিতি পেয়েছে হাজার দুয়ারী স্কুল নামে।
লাল রঙের লম্বালম্বি বিদ্যালয় ভবনের সামনে বিরাট মাঠ রয়েছে। ১৯৪০ সালে নফর পাল চৌধুরী মারা যান। তাঁর ছেলে সতীশ চন্দ্র পাল চৌধুরী পরবর্তী সময়ে স্কুলটি দেখাশোনা করেছেন। ১৯৫৪ সালের দিকে সতীশ চন্দ্র পাল ভারতে চলে যান। এরপর স্থানীয় পরিচালনা কমিটি বিদ্যালয়টির দায়িত্ব নেয়। স্বাধীনতার পর এর নাম রাখা হয় নাটুদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সাবেক প্রধান শিক্ষক রফিকুল আলম বলেন, 'রাধা রানীর নাম মুছে ফেলা ঠিক হয়নি। আর যিনি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তাঁর স্মৃতি অবশ্যই ধরে রাখা উচিত।

Monday, October 7, 2013

জেনে নিন: ‘মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার’ (যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান) ব্যবহারের জন্য কত টাকা টোল দিতে হবে




গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী উড়ালসড়কে ওঠা-নামার পথের (র‌্যাম্প) কিছু কাজ বাকি থাকলেও এটি উদ্বোধনের জন্য এখন প্রস্তুত। ১১ অক্টোবর উড়ালসড়কটি (ফ্লাইওভার) চালু হচ্ছে।
উড়ালসড়ক প্রায় প্রস্তুত: দেশের বৃহত্তম এবং আধুনিক প্রায় সাড়ে ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই উড়ালসড়ক রাজধানীর শনির আখড়া থেকে যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, টিকাটুলি, গুলিস্তান হয়ে নিমতলী পর্যন্ত। তবে এখন উদ্বোধন হচ্ছে গুলিস্তান পর্যন্ত। এটি চালু হলে রাজধানীর এসব এলাকা ছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম, সিলেটসহ পূর্বাঞ্চলীয় এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৩০টি জেলার যাতায়াতে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে। বিশেষ করে যানজট কমে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, গুলিস্তান থেকে শনির আখড়া পর্যন্ত যত যান চলাচল করে, তার অন্তত ৬০ ভাগ উড়ালসড়ক ব্যবহার করতে পারে।
ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড উড়ালসড়কটির বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিতে (ঢাকা সিটি করপোরেশন) দুই হাজার ১০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মিত হচ্ছে। এর নাম মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার। চার লেনবিশিষ্ট এই উড়ালসড়কে ছয়টি প্রবেশ ও সাতটি বেরোনোর পথ নিয়ে মোট ১৩টি র‌্যাম্প রয়েছে। তবে তিনটি র‌্যাম্পের কাজ শেষ হতে আরও সময় লাগবে।
উড়ালসড়ক প্রকল্পের পরিচালক মো. আশিকুর রহমান বলেন, প্রায় ৯০ ভাগ কাজ শেষ পর্যায়ে। অবশিষ্ট কাজ শেষ করে আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে উড়ালসড়কটি সম্পূর্ণভাবে চালু করা যাবে। ১১ অক্টোবর বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।
২৪ বছর টোল দিতে হবে: উড়ালসড়কটি চালুর পর ২৪ বছর টোল দিতে হবে বিভিন্ন যানবাহন মালিককে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ২০০ টাকা দিতে হবে ১৪ চাকার যান টেইলারকে। বড় ট্রাককে দিতে হবে ১৫০ টাকা, সাধারণ ট্রাকের জন্য ১০০ টাকা। এ ছাড়া বড় বাস ১০০, পিকআপ ৭৫, মাইক্রোবাস ৫০, জিপ ৪০, কার ৩৫, অটোরিকশা ১০ এবং মোটরসাইকেলের জন্য পাঁচ টাকা দিতে হবে।

Wednesday, September 25, 2013

New member of Safari Park

চকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নতুন অতিথি হিসেবে এক হাতির বাচ্চার আগমন ঘটেছে। কাপ্তাইয়ের দুর্গম অরণ্য বাইজ্জাতলী থেকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাচ্চাটিকে উদ্ধার করা হয়। বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে ১৫ সেপ্টেম্বর হাতির বাচ্চাটিকে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর সেটিকে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে হস্তান্তর করা হয়।

উদ্ধারের সময় হাতির বাচ্চার পায়ে হালকা জখম হলেও পার্কের ভেটেরিনারি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নিবিড় পরিচর্যায় বাচ্চাটি এখন প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছে। সাফারি পার্কের বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, হাতির বাচ্চাটি এখন পার্কের ভেটেরিনারি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে। হাসপাতাল করিডোরে খাঁচার ভেতর বাচ্চাটি লাফালাফি করে খেলা করছে।

পার্কের সহকারী ভেটেরিনারি সার্জন সাজ্জাদ মো. জুলকার নাঈম বলেন, কাপ্তাইয়ের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভবত মাসহ হাতির পালের সাথে যাওয়ার সময় বাচ্চাটি পাহাড়ের ঢালে পড়ে যায় এবং একটি গাছের ডালে আটকে পড়ে। পরে বনকর্মীরা সেখান থেকে বাচ্চাটিকে উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, হাতির বাচ্চাটির ক্ষতস্থান নিয়মিত ড্রেসিং করা হচ্ছে। বাচ্চাটিকে খাওয়ানো হচ্ছে গরুর দুধ।ইত্তেফাক।

Click for details

©GooNGooN’s